আজ: বৃহস্পতিবার ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

এম এ ওহাব : রাজনীতিতে সততা ও আদর্শনিষ্ঠার উজ্জ্বল উদাহরণ : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

 

প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবী এম.এ. ওহাব ১৯২৪ সালে ১ মার্চ হাটহাজারি থানার ফতেপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খলিলুর রহমান ১৯২০-৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ইউনিয়ন বোর্ডের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

এম.এ. ওহাব হাটহাজারী স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজে লেখাপড়া শুরু করেন। ১৯৪৪ সালে স্কুল ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি ব্রিটিশ বিরোধী পাকিস্তান আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি মুসলিম ছাত্রলীগ করতেন। ১৯৪৬-এর নির্বাচনে তিনি হাটহাজারী থানা মুসলিম ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবে খান বাহাদুর ফরিদ আহমদ চৌধুরীর পক্ষে কাজ করেন। ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলন শুরু হলে হাটহাজারীতেও তার ঢেউ এসে লাগে। মওলানা আহমদুর রহমান আজমী তখন হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র। জনাব ওহাব ও আজমী দু’জনই ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন এবং হাটহাজারীতে ভাষা আন্দোলন সংগঠিত করেন।
১৯৪৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হয়ে পাকিস্তানের পক্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ জনাব আবু হেনা কর্তৃক দুই বৎসরের জন্য বহিষ্কৃত হন। ১৯৪৮ সালে ঐ কলেজে থেকে কলেজ ছাত্র কেবিনেট গঠন করে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠন করার পর চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৪৯ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন হলে চট্টগ্রামে শেখ মোজাফফর আহমদকে সভাপতি ও জনাব এম এ আজিজকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। এ সময় জনাব এম এ ওহাব আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
১৯৪৯ সালে ঢাকায় আওয়ামী (মুসলিম) লীগ গঠিত হওয়ার অব্যবহিত পরপরই চট্টগ্রামেও তার শাখা গঠিত হয়। সালারে জিলা শেখ মোজাফফর আহমদকে সভাপতি ও এম এ আজিজকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৪৯ সালেই চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ গঠন করা হয়। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটিতে প্রথমেই যাঁরা সভ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন, এম এ ওহাব তাঁদের মধ্যে অন্যতম। সেই যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে অচ্ছেদ্য বন্ধনে বাঁধা পড়লেন, আর কখনো সে বন্ধন ছিন্ন হয়নি। আওয়ামী লিগার হিসেবেই জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কাটিয়ে গেছেন তিনি।
১৯৫২ সালের বাংলা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে চট্টগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে তাঁর উপর হুলিয়া জারি হওয়ার ফলে ঐ সালে বি.এ ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় নি।
১৯৫৪ সালে বি.এ ফাইনাল পরীক্ষার পূর্বে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে এম এ আজিজ ও অন্যদের চাপে পড়ে হাটহাজারী-পাঁচলাইশ এলাকায় যুক্তফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক সুলতানুল আলম-এর পক্ষে নির্বাচনীয় প্রচারণা কমিটির আহবায়ক হিসেবে হাটহাজারী-পাঁচলাইশ এলাকায় নির্বাচন পরিচালনা কাজে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখেন এবং যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেন। ঐ সময় নির্বাচন চলাকালে হাটহাজারী ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভায় এ কে ফজলুল হক প্রধান অতিথি ও মওলানা ভাসানী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জনাব ওহাব সভা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ফলে তিনি বি.এ. ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন নি।
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের পর পর জনাব এম এ আজিজ হাটহাজারী ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগের এক কর্মিসভা আহবান করেন এবং ঐ সভাতে জনাব মোহাম্মদ ইদ্রিস সওদাগরকে সভাপতি ও জনাব এম এ ওহাবকে সাধারণ সম্পাদক করে হাটহাজারী থানা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক কমিটি গঠন করেন। পরবর্তীতে এম এ ওহাব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ঐ দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬-এর ৬ দফা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে জেলা বোর্ড নির্বাচনে হাটহাজারী আসন হতে তিনি সাড়ে বারশ’ ভোটের ব্যবধানে ফজলুল কাদের চৌধুরীকে পরাজিত করে সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে এম.এ. ওহাব জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬৬ তে সহ-সভাপতি ছিলেন। ১৯৮০-৯২ পর্যন্ত সভাপতি পদে বহাল ছিলেন এবং এরপর থেকে তিনি আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পঁচাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকা-ের পর আওয়ামী লীগ চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় এবং দলকে সে অবস্থা থেকে উত্তরণে বলিষ্ঠ, সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়। জনাব এম এ ওহাবই সেই দুর্দিনে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন। পুনরুজ্জীবনের পর তাঁকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবার দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে তাঁকে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়।
এম.এ. ওহাব ১৯৭০ এর নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। তাঁরই নেতৃত্বে ১৯৭১ এর ৩ এপ্রিল ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণ করে হাটহাজারী বীর ছাত্র-জনতা সমন্বয়ে গঠিত মুক্তিবাহিনী। ইপিআর ও বাঙালি সেনাসদস্যরা এতে সহযোগিতা দেয়। মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সেক্টর প্রধান ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ তিনি সাব্রুম অভ্যর্থনা শিবিরের প্রধান রাজনৈতিক সমন্বয়কারী ছিলেন।
জনাব ওহাব এমপিএ হিসেবে ৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন এবং একই দিন মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এম এন এ ও ও এমপিএ-দের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়। এই গণপরিষদ ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন করে। গণপরিষদের সদস্য হিসেবে জনাব ওহাব সংবিধান প্রণয়নে ভূমিকা রাখেন এবং সংবিধানে স্বাক্ষরদান করেন। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনেও জনাব ওহাবকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয় এবং তিনি বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন।
বঙ্গবন্ধু’র শাহাদাতের পর আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলো; তারপর আওয়ামী লীগকে ভাঙার রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র হলো; সেনাশাসক জিয়া ও এরশাদের ঔরসে জন্ম হলো যথাক্রমে দু’টি দল-বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা সুবিধাবাদী ও ক্ষমতালোভী বহুরূপীরা বোল ও ভোল পাল্টে হালুয়া রুটির ভাগ নিতে ভিড়ে গেলেন প্রথমে বিএনপি ও পরে জাতীয় পার্টিতে। এই সময় জিয়াউর রহমান ‘মানি ইজ নো প্রব্লেম’ বলে টাকার টোপ ফেলে তাঁর ক্ষমতার বড়শিতে গেঁথে একে একে তুলতে থাকলেন অর্থ ও পদলোভী রাজনীতিকদের। জনাব ওহাবের জন্য সমস্যাটা আরো কঠিন করে তুললেন জিয়া। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে জনাব ওহাব যখন চট্টগ্রাম জেলা সংগ্রাম পরিষদের বিভাজিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও হাটহাজারী সেক্টরের প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন ৮ম ইস্টবেঙ্গলের অফিসার মেজর জিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিলো। জিয়া দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে যখন তাকে বৈধতা দেয়ার জন্য রাজনৈতিক দল গঠনে উদযোগী হয়েছিলেন, তখন তিনি একাত্তরের সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে এম এ ওহাবকে তাঁর দলে যোগদানের জন্য আবদার, অনুরোধ, চাপাচাপি শুরু করলেন। এমনকি মন্ত্রিত্বের মুলা ঝুলিয়ে প্রলুব্ধ করতেও পিছপা হলেন না। তাতে সেনাশাসকের প্রচ্ছন্ন হুমকিও চাপা থাকলো না। জনাব ওহাব অনুরোধের ঢেঁকিও গিললেন না, হুমকিতেও ভীত বা বিচলিত হলেন না; সবিনয়ে জিয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, তিনি একটি আদর্শ বিশ্বাস করেন আর সে আদর্শ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ; তিনি একটি দল করেন আর সে দল আওয়ামী লীগ। একাত্তরে তিনি যে দল করতেন এখনো সে দলই করেন এবং ভবিষ্যতেও সে দলই করবেন। দলবদলের কোনো কারণ তিনি দেখতে পাচ্ছেন না।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এমনি দল পরিবর্তনের অনেক প্রলোভনের হাতছানি তাঁর সামনে উপস্থিত হয়েছিলো। ভবিষ্যতে যাঁর জীবন আদর্শের জন্য উদাহরণস্থল হিসেবে পরিগণিত ও পূজিত হবে, তাঁকে তো এইসব তুচ্ছ অর্থ, পদ, ক্ষমতা, যশ, খ্যাতির লোভ, মোহ পথভ্রষ্ট করতে পারে না। জনাব ওহাবেরও পদস্খলন হয়নি। তিনি আরো দৃঢ়চিত্ত হয়ে আদর্শের পথেই হেঁটে গেলেন অকম্পিত পদবিক্ষেপে।
জনাব ওহাব হাটহাজারীতে শিক্ষা বিস্তারের জন্য অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও অনেক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও আর্থিক সাহায্যের বন্দোবস্ত করে। তাঁর সক্রিয়তার সরকারী অনুমোদন পায় অনেক স্কুল। তিনি ফতেপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, এম. কে. রহমানিয়া স্কুলের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি দু’টো মসজিদ পরিচালনা কমিটি এবং লতিফাপাড়া ফ্রি প্রাইমারি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি।
জনাব এম এ ওহাব ২৯ অক্টোবর ২০১১ সালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম : প্রকৃতি ও মানুষের সংগ্রাম

নাসিরুদ্দিন চৌধুরী নদী-সাগর-বন-পাহাড়ের মিত্রতায় প্রকৃতির যে অপরূপ ল্যান্ডস্কেপ তৈরি হয়, তাকে চট্টগ্রাম বা চট্টলা যে নামেই অভিহিত করি না কেন, সে প্রকৃতির এক অপরূপ আশ্চর্য

বিস্তারিত »

বঙ্গবন্ধু টানেল ও একজন স্বপ্নবাজ প্রধানমন্ত্রীর গল্প

নাসিরুদ্দিন চৌধুরী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের এমন উচ্চতায় উপনীত করে এক একটি রেকর্ড সৃষ্টি করে যাচ্ছেন যে, যাঁরা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসবেন তাদের জন্য এই রেকর্ড

বিস্তারিত »

মুক্তিযুদ্ধে পটিয়া : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

এক সময় সমগ্র চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে পটিয়া থানা ছিলো সর্বদিক দিয়ে সর্বাপেক্ষা অগ্রগণ্য স্থান। ঢাকা জেলার মধ্যে বিক্রমপুর যেমন সর্বদিক দিয়ে একদা সর্বাধিক অগ্রগণ্য ছিল,

বিস্তারিত »

নির্বাচন ১৯৭০ স্বাধীনতার রায়

নাসিরুদ্দিন চৌধুরী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ নির্বাচনে বাঙালি জাতি ৫৪ সালের পর দ্বিতীয় বার ঐক্যবদ্ধ হতে স্ব-শাসনের পক্ষে রায় প্রদান

বিস্তারিত »

জাফর আহমদ সংগ্রাম ও সাহসের মহিমায় প্রদীপ্ত জীবন : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

১৯৬৬ সাল জাফর আহমদের জীবনে একটি টার্নিং পয়েন্ট। সেবছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে প্রথম ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতি

বিস্তারিত »

পটিয়ায় শিক্ষা বিস্তার ও আহমদ হোসেন খানের সাধনা : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী |

মুসলমানরা যখন ইংরেজি শিক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছিলো, তখন তাদেরকে এই আত্মঘাতী পথ থেকে সরে এসে ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন

বিস্তারিত »

ডা. শামশুল আলম এবং চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার গোড়ার কথা : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

যাঁদের সমর্থন ও সহযোগিতায় চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছিলো, ডা. শামশুল আলম চৌধুরী তাঁদের একজন। তিনি ঢাকায় রোজ গার্ডেন সম্মেলনে গিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে তাঁরা

বিস্তারিত »

পুথি সাহিত্যের বিশেষজ্ঞ ইসহাক চৌধুরীর প্রস্থান : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

ইসহাক চৌধুরী বহুতর পরিচয়ে একজন বিশিষ্ট বৌদ্ধিক পুরুষ ছিলেন। তাঁকে বলা যায় লেখক, গবেষক, পুঁথি সাহিত্যের বিশেষজ্ঞ এবং বিবলিওগ্রাফার। কিন্তু আমার বিবেচনায় তাঁর শ্রেয়তর পরিচয়

বিস্তারিত »

বিপ্রতীপ সময়ে একজন শুদ্ধ রাজনীতিকের নীরব প্রস্থান মৃণাল কুসুম বড়–য়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি : নাসিরুদ্দিন চৌধুরী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও চাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মৃণাল কুসুম বড়–য়া অনেক দিন ধরেই আমার বাসায় আসতে চাচ্ছিলেন। বারবার আমাকে ফোন করে বলতেন আজকালের মধ্যে

বিস্তারিত »