আজ: বৃহস্পতিবার ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

ডেঙ্গুতে মৃত্যুতে নভেম্বরের ২১ দিনই ছাড়িয়ে গেল আগের সব মাস

এইডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৯ সালের অগাস্টে।

 

পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কের পাশের খালে জন্মাচ্ছে মশা।

বাংলাদেশে নভেম্বর মাসের ২১ দিনেই ডেঙ্গুতে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একক মাসে এত মৃত্যু এর আগে দেখা যায়নি।

এর আগে ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে এইডিস মশাবাহিত এই রোগে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি নভেম্বরের নয় দিন বাকি থাকতেই সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল।

২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে মোট ১৬৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানায়, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৭৯ জন মারা গিয়েছিল।

এবছরএক মাস বাকি থাকতেই মৃতের মোট সংখ্যা ২৩৪ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে ৮৬ জন, জুন মাসে ১ জন, জুলাই মাসে ৯ জন, অগাস্ট মাসে ১১ জন এবং সেপ্টেম্বরে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

এ পর্যন্ত যে ২৩৪ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ সালে ৭ জন এবং ২০২১ সালে ১০৫ জন মারা যায় ডেঙ্গুতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। তাদের তিনজন ঢাকার এবং একজন বরিশাল বিভাগের।

সোমবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬০৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নতুন ভর্তি রোগীদের নিয়ে দেশে এ বছর ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৪১৩ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮৯ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১৭ জন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি ১৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগে।

এছাড়া ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৫৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে ৫ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সবশেষ ২৪ ঘণ্টায়।

বর্তমানে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ৩৫১ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ২৫৮ জন। অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৯৩ জন।

বর্ষাকাল এলেই ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এইডিস মশার উৎপাত বাড়ে। এ সময় এই মশার দংশনে আক্রান্ত হয়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়ে। তবে এ বছর এ রোগের প্রকোপ বেড়েছে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে।

এ বছর অক্টোবর মাসে সবচেয়ে বেশি ২১ হাজার ৯৩২ জন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এছাড়া জানুয়ারি মাসে ১২৬ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ২০ জন, মার্চে ২০ জন, এপ্রিল মাসে ২৩ জন, মে মাসে ১৬৩ জন, জুন মাসে ৭৩৭ জন, জুলাই মাসে ১ হাজার ৫৭১ জন, অগাস্ট মাসে ৩ হাজার ৫২১ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে ৯ হাজার ৯১১ জন রোগী যান হাসপাতালে।

 

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

করোনার চতুর্থ ডোজ টিকা কার্যক্রম ২০ ডিসেম্বর শুরু

আগামী ২০ ডিসেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে করোনাভাইরাসের চতুর্থ ডোজ টিকাদান কার্যক্রম।  এরপর জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এই টিকাদান। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য

বিস্তারিত »

ওমিক্রন ছড়াচ্ছে ‘অপ্রত্যাশিত গতিতে’, সতর্কতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন গোটা বিশ্বেই অপ্রত্যাশিত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ইতোমধ্যে ৭৭টি দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও

বিস্তারিত »

কভিড টিকা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা কমিটির গঠন ও কার্যক্রমে নিশ্চিতের দাবি

বৈশি^ক মহামারী করোনার ভ্যাকসিন বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দেশব্যাপী ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা কমিটির গঠন ও এর কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, স্থানীয় চাহিদা ভিত্তিতে করনীয় নির্ধারন, ভ্যাকসিন বিতরণের

বিস্তারিত »

বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিনের দাবীতে সিপিবি

করোনা ভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনা ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। আমাদের দেশেও এই ভ্যাকসিন আনার প্রক্রিয়া চলছে। সারাদেশে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন সকলের

বিস্তারিত »